অঞ্জু দেবী
রাজ্য : উত্তর প্রদেশ
জেলা : মির্জাপুর
ব্লক : নগর সিটি
গ্রাম : মেওয়ালী
স্বনির্ভর গোষ্ঠী : দীপক প্রেরণা স্বনির্ভর গোষ্ঠী
জীবিকার কার্যকলাপ : উদ্যোক্তা
লাখপতি দিদি'র যাত্রা :
অঞ্জু দেবীর বরাবরই পশুদের সাথে কাজ করার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। একজন গৃহিণী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি পশুদের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা বজায় রেখেছিলেন এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজকর্মে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
উন্নয়ন দপ্তরের একটি গোষ্ঠী বৈঠকের মাধ্যমে তাঁর উদ্যোক্তা হওয়ার যাত্রা শুরু হয়, যেখানে তিনি ‘সমন্বিত মৎস্য চাষ মডেল’ সম্পর্কে জানতে পারেন। এই ধারণাটিতে আগ্রহী হয়ে তিনি স্থানীয় সরকারি সংস্থাগুলি দ্বারা আয়োজিত বেশ কয়েকটি অধিবেশন এবং প্রযুক্তিগত কর্মশালায় অংশ নেন।
নিজের ব্যবসা শুরু করে স্বনির্ভর হওয়ার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে অঞ্জু একটি সমন্বিত হাঁস-মুরগি পালন এবং মৎস্য চাষ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেন। শুরুতে পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা আসা সত্ত্বেও,
একটি টেকসই আয় নিশ্চিত করতে নিজের ব্যবসা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে অঞ্জু আর্থিক সাহায্য চান এবং গ্রাম সংগঠন থেকে ৫০,০০০ টাকা ঋণ পেতে সফল হন।
এই আর্থিক সহায়তা তাঁকে প্রতি চক্রে ২০,০০০ টাকা উপার্জন করতে সক্ষম করে তোলে। এর পাশাপাশি, তিনি একটি ভার্মিকম্পোস্টিং ইউনিট (কেঁচো সার কেন্দ্র) শুরু করেন, যার সার তিনি নিজের জমিতে ব্যবহার করেন এবং স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রিও করেন।
তিনি খাদ্যের বর্জ্য, হাঁস-মুরগির বর্জ্য, নিমের মতো ভেষজ এবং খড়ের মিশ্রণ ব্যবহার করে স্থানীয় মাছের খাবার তৈরি করেছেন, যা তাঁর খাদ্যের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। তাঁর ব্যবসায় উন্নতি হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি বার্ষিক ৪ লক্ষ টাকা আয় করছেন।