আরতি দেবী
রাজ্য : বিহার
জেলা : জমুই
ব্লক : খয়রা
গ্রাম : কৈরাকাডো
স্বনির্ভর গোষ্ঠী : নন্দিনী স্বনির্ভর গোষ্ঠী
জীবিকা নির্বাহের কার্যকলাপ : বিউটি পার্লার
লখপতি দিদির যাত্রা :
একজন সংগ্রামী বিধবা থেকে সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার আরতি দেবীর এই যাত্রা স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং সরকারি প্রকল্পগুলির রূপান্তরমূলক ক্ষমতাকে তুলে ধরে। কোভিডের কারণে স্বামীর মৃত্যুর পর আরতির জীবনে একটি কঠিন মোড় আসে।
আরতি 'নন্দিনী স্বনির্ভর গোষ্ঠী'-তে যোগ দেন, যেখানে তিনি 'সতত জীবিকোপার্জন যোজনা' (SJY) সম্পর্কে জানতে পারেন। এই প্রকল্পের অধীনে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। প্রকল্পের মাধ্যমে পাওয়া ঋণ ব্যবহার করে তিনি নিজের গ্রামে একটি বিউটি পার্লার স্থাপন করেন। এই নতুন উদ্যোগ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় হতে শুরু করে, যা তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটায়। আরতি দেবীর সফল ব্যবসা তাঁকে তাঁর সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের দিকে মনোনিবেশ করার সুযোগ করে দেয়।