লাবণ্যা
রাজ্য : কর্ণাটক
জেলা : চিকবল্লাপুর
গ্রাম : আনুরু
স্বনির্ভর গোষ্ঠী : শ্রী অন্নপূর্ণেশ্বরী স্বনির্ভর গোষ্ঠী
জীবিকার কার্যকলাপ : মিলেট, বাজরা এবং মাশরুম চাষ; গমের আটার আউটলেট
লাখপতি দিদি'র যাত্রা:
শ্রীমতী লাবণ্য দিদির একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যুবতী থেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার যাত্রা স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং সরকারি সহযোগিতার শক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কমার্স গ্র্যাজুয়েট লাবণ্য 'শ্রী অন্নপূর্ণেশ্বরী স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে' যোগ দিয়ে ক্ষমতায়নের পথে প্রথম পদক্ষেপ নেন। যখন তাঁর গোষ্ঠীটি 'শ্রী সাই বাবা সঞ্জীবনী GPLF'-এর অংশ হয়ে ওঠে, তখন তিনি উন্নতি করার এবং নতুন সুযোগগুলি অন্বেষণ করার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পান। নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আগ্রহী লাবণ্য একাধিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং মাশরুম চাষ, কৃত্রিম গয়না তৈরি এবং সেলাইয়ের কাজে দক্ষতা অর্জন করেন। তিনি একজন 'কৃষি সখী' হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন, যার মধ্যে প্রাকৃতিক চাষ এবং কৃষি সখী মডিউল প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই অভিজ্ঞতাগুলি তাঁকে একটি বৈচিত্র্যময় জীবিকা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে, যার মধ্যে বর্তমানে সেলাই ব্যবসা, উন্নত সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে গোলাপ চাষ, উচ্চ ফলনশীল মিলেট ও বাজরা চাষ, একটি জেরক্সের দোকান, ৫৩ জন মহিলার উপকারে আসা একটি গমের আটার আউটলেট এবং একটি 'অ্যাগ্রি-নিউট্রিশন গার্ডেন' রয়েছে যা একটি সামাজিক শিক্ষার মডেল হিসেবে কাজ করে। বছরে ২ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের সাথে তিনি প্রায় ২৫০ জন মহিলাকে পথ দেখিয়েছেন এবং তাঁদের আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর গল্প হলো অধ্যবসায়, উদ্ভাবন এবং সামাজিক উন্নতির কাহিনি, যা প্রমাণ করে যে সঠিক সহযোগিতা পেলে নারীরা তাঁদের জীবন পরিবর্তন করতে পারেন এবং তাঁদের সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধির পথে চালিত করতে পারেন।