মনীষা দেবী
রাজ্য : রাজস্থান
গ্রাম : পাথেনা
জেলা : ভরতপুর
ব্লক : ভুসাভার
স্বনির্ভর গোষ্ঠী : গুফা ওয়ালে বাবা স্বনির্ভর গোষ্ঠী
জীবিকা নির্বাহের কার্যকলাপ : অন্নপূর্ণা রসুই (রেস্টুরেন্ট)
লখপতি দিদির যাত্রা :
স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে যোগদানের আগে, তিনি এবং তাঁর পরিবার কৃষির ওপর অনেকখানি নির্ভর করে চরম আর্থিক অনটনের সম্মুখীন হতেন। তাঁদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য সেই আয় পর্যাপ্ত ছিল না, যার ফলে এক চ্যালেঞ্জিং এবং অনিশ্চিত জীবনযাপন করতে হতো। মনীষা একটি গোষ্ঠীতে যোগদানের সুবিধাগুলি সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সদস্য হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তাঁর সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়ে, জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের (NRLM) অধীনে মনীষাকে 'কৃষি সখী' হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এই ভূমিকায় তিনি প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা উপার্জন করতেন এবং তাঁর গ্রামে নিয়মিত সভা পরিচালনা করতেন। তিনি কিচেন গার্ডেনিং এবং জৈব চাষের মতো কৃষি সংক্রান্ত কাজে অন্যান্য সদস্যদের নির্দেশিকা ও সহযোগিতা প্রদান করতেন।
মণীষা অন্নপূর্ণা রসুই শুরু করার জন্য তাঁর গোষ্ঠী থেকে ১,২০,০০০ টাকার (ব্যাঙ্ক লোন) আরেকটি ঋণ নিয়েছিলেন। প্রথম তিন মাস কোনও অর্থ না পাওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সত্ত্বেও, তাঁর অটল সংকল্প এবং স্থিতিস্থাপকতা তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আজ, তিনি সফলভাবে রসুইটি পরিচালনা করছেন, পাঁচজন মহিলাকে কর্মসংস্থান দিচ্ছেন এবং প্রতি মাসে ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা লাভ করছেন।
তিনি কেবল নিজের জীবনেরই উন্নতি করেননি বরং তাঁর সম্প্রদায়ের অন্যান্য নারীদেরও ক্ষমতায়ন করেছেন। তাঁর গল্পটি একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ যে কীভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, উদ্যোক্তা এবং সামাজিক সমর্থন উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের দিকে পরিচালিত করতে পারে।