রানী বেগম
রাজ্য : ত্রিপুরা
জেলা : উত্তর ত্রিপুরা
ব্লক : কদমতলা আৰ ডি ব্লক
গ্রাম : চুরাইবাড়ি জিপি
স্বনির্ভর গোষ্ঠী : জুঁই স্বনির্ভর গোষ্ঠী
জীবিকার কার্যকলাপ : নোটবুক বাঁধাই এবং BYP পালন
লাখপতি দিদি'র যাত্রা
উত্তর ত্রিপুরার চুরাইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা শ্রীমতি রানী বেগম কোভিড মহামারীর সময় জীবিকার ক্ষেত্রে গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন। রানীর স্বামী, যিনি আগে মুম্বাইয়ের একটি খাতা তৈরির কোম্পানিতে কাজ করতেন, সংকটের কারণে বাড়ি ফিরে আসেন, ফলে তাদের পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে, স্বামীর উৎসাহে রানী তার স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে কম সুদে ঋণ নিয়ে খাতা তৈরির মেশিন কেনেন। স্বামীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তারা উচ্চমানের খাতা তৈরির একটি ব্যবসা শুরু করেন, যা এখন বেশ কয়েকটি স্কুল, লাইব্রেরি এবং স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে তাদের মাসিক আয় ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। রানী এবং তার স্বামী দুজনেই তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যাপারে এবং একটি সুখী ও টেকসই জীবন গড়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের বিভিন্ন জীবিকা নির্বাহের কার্যক্রম থেকে তারা বছরে ৩ লক্ষ টাকা পারিবারিক আয় করেন।